‘এ লড়াই আমি একা লড়ে নেব’। এসআইআরে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে একথা বলেছিলেন তিনি। বলেছিলেন আমজনতার স্বার্থে। বলেছিলেন অন্যায়ভাবে কিছু ঘটলে, তার প্রতিবাদের স্বার্থে। যিনি বলেছিলেন, তিনি বঙ্গ রাজনীতির ‘বাঘিনী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বাংলার মানুষের কাছে তিনি ‘দিদি’। আর কে না জানে, জীবনব্যাপী সংগ্রামই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইউএসপি। এসআইআর লড়াই তিনি লড়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তবে তা ছাব্বিশের ভোট ময়দানে বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলল না। বরং এত নাম বাদের পরও মানুষ গেরুয়া শিবিরের ভোটবাক্স ভরিয়ে দিয়েছেন, মমতার একক লড়াই দুরমুশ করে। ফলস্বরূপ, নিজের গড় ভবানীপুরেই ১৫ হাজারের বেশি ভোট পরাজয়ের মুখে পড়তে হল ‘ঘরের মেয়ে’কে। ছাব্বিশের নির্বাচন এভাবেই বঙ্গ রাজনীতির এক ইন্দ্রপতনের সাক্ষী রইল। রাজ্যবাসী দেখল, রাজনৈতিক জীবনের পড়ন্ত বেলায় এক ট্র্যাজিক নায়িকাকে। ১৯৮৪ সালের পর প্রথমবার কোনও পদে রইলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ছাব্বিশে কেন ‘ঘরের মেয়ে’কে ফিরিয়ে দিল ভবানীপুর, সেই বিশ্লেষণের আগে উজ্জ্বল ইতিহাসটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ইতিহাস বলছে, ভবানীপুরে কখনও হারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। গত দেড় দশকে তৃণমূলের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি হিসাবে উঠে এসেছে। মমতা ছাড়াও ওই কেন্দ্রে অন্য তৃণমূল প্রার্থীরা জিতেছেন।

More Stories
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন
গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
মাঝেমধ্যেই মুখ ভার হচ্ছে আকাশের