একটা সময়ে তিনি ছিলেন ভোট সৈনিক। সিপিএম (CPM) প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে টানা পাঁচবার ভোটে জেতার রেকর্ড রয়েছে। তার দৌলতেই দুবার এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর সক্রিয় রাজনীতি থেকে ক্রমশই দূরে সরে যেতে থাকেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে ব্রিগেড বামেদের সমাবেশে গেলেও মঞ্চে ওঠেননি। মাঠের বাইরে গাড়িতে বসেছিলেন। তবে তাঁর উপস্থিতিই ছিল বামেদের মরা গাঙে বাড়তি অক্সিজেন।
এক যুগেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে রাজনীতি থেকে কার্যত অবসর নিয়েছেন। বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শারীরিক অসুস্থতা। নানা শারীরিক সমস্যা নিয়ে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরেছেন। সম্প্রতি বাড়িতেই তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। বুথে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা নেই। তাই চব্বিশের ভোটও সম্ভবত দিতে পারছেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

More Stories
মঞ্চে উঠেই বঙ্গবাসীকে নতজানু হয়ে প্রণাম করলেন প্রধানমন্ত্রী
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন
ছাব্বিশে ‘ঘরের মেয়ে’কে ফিরিয়ে দিল ভবানীপুর