উত্তরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি চলছেই। ভুটান থেকে ক্রমশ জল ঢুকছে। তিস্তা, তোর্ষা-সহ একাধিক নদীতে জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ক্রমাগত জল বাড়লে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেবে। এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাতে জলে ভেসেছে শিলিগুড়ি ও কোচবিহার শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। হড়পা বানের আশঙ্কায় রাতজাগা নদী সংলগ্ন এলাকার হাজার-হাজার মানুষ। পাহাড়-সমতলে একযোগে ভারী বৃষ্টির জেরে উথাল-পাথাল প্রতিটি পাহাড়ি নদী ও ঝোরা। জলঢাকা ও তিস্তানদী অসংরক্ষিত এলাকায় বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। সেচ দপ্তরের ‘লাল’ সতর্কতা জারি করেছে।
পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে মাইকে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করার কাজ শুরু হয়েছে। জলঢাকা নদীতে শাবক-সহ আটকে পড়ে একটি হাতি। এদিকে মঙ্গলবার সকালে রংপো ৫ মাইলের রেশি ও রোরথাং এলাকায় ভূমিধসে অবরুদ্ধ হয়েছে রংপো-রোরথাং রোড। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত উত্তর সিকিমের মঙ্গন জেলায় অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১০৫ মিলিমিটার। সিকিমে একটানা অতিভারী বৃষ্টির জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকে তিস্তার জলস্তর বেড়ে চলেছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অসংরক্ষিত এলাকায় নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে শুরু করায় প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন গ্রাম। ময়নাগুড়ির ধর্মপুর অঞ্চলের ১০৫ নম্বর স্পার এলাকায় তিস্তার জল ঢুকে ভেসেছে ঘরবাড়ি।

More Stories
প্রবল বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়
আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী