January 11, 2026

TV Bangla New Agency

Just another WordPress site

মির্জা’-র পর অভিনেতা-প্রযোজক অঙ্কুশের দ্বিতীয় প্রয়াস ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’

মির্জা’-র পর অভিনেতা-প্রযোজক অঙ্কুশের দ্বিতীয় প্রয়াস ‘নারী চরিত্র বেজায় জটিল’। প্রথম ঝলক থেকেই পরিষ্কার এ ছবি আদ্যন্ত বাণিজ্যিক বিনোদনমূলক ঘরানার। পরিচালক জুটি সুমিত-সাহিলের সঙ্গেও দ্বিতীয় কাজ অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলার। কমেডি জঁর-এর, একইসঙ্গে পারিবারিক ছবিও বটে। মজার ব্যাপার হল, ছবিটা মেল গিবসন-হেলেন হান্ট অভিনীত ‘হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট’-এর ছায়ায়, তবে চিত্রনাট্যে বাঙালিয়ানা রয়েছে। তাই অতটাও অসুবিধা হয় না। শ্রীজীবের চিত্রনাট্য বাঙালি আবেগ-নির্ভর। ন্যান্সি মেয়ার্সের ইংরেজি ছবিটিতে নায়ক একটা দুর্ঘটনার পর মেয়েদের মনের কথা পড়ে ফেলতে পারত। সেই আশ্চর্য শক্তিকে সে কাজে লাগাত নিজের সুবিধের জন্য। পরে সে বুঝতে পারে মনের কথা জানতে পারা আর উপলব্ধি করতে পারার মধ্যে অনেকটা তফাত। তার জন্য মানুষের সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন।

ছবিটিতে কাহিনির কেন্দ্রে ঝন্টু (অঙ্কুশ হাজরা)। সে একটা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা চালায়। বেশ করিতকর্মা ছেলে। পুরনো বাড়িতে মা, বোন, ঠাকুমার সঙ্গে থাকে সে। আর এই বাড়িতেই ভাড়া থাকে ‘আঁখি’ (ঐন্দ্রিলা সেন) নামের একজন। মেয়েদের ঝন্টুর ভালো লাগে কিন্তু বয়স বাড়লেও এতগুলো বছরে নারীর মনের গতিবিধি ঝন্টু বুঝতেই পারেনি। মানুষটা সে মন্দ নয় তবে স্রেফ চালাকি দিয়ে কাজ হাসিল করতে শিখেছে। আঁখির প্রতি রয়েছে বিশেষ দুর্বলতা, কিন্তু অনুভূতি বোঝার জায়গায় জিরো ঝন্টু। গল্পে কমেডির সঙ্গে মিশেছে ফ্যান্টাসি।