September 25, 2021

TV Bangla New Agency

Just another WordPress site

মেধাবী জয়শ্রীর পাশে দেব

নিজস্ব সংবাদদাতা পূর্ব মেদিনীপুর:- আর্থিক সংকটের কারণে এক প্রকার পড়াশুনা বন্ধ হতে বসেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার ছাত্রী জয়শ্রী রানার। অব শেষে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিলেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব, জয়শ্রীর স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া তার পাশাপাশি জয়শ্রীর বাবা-মা চেয়ে ছিল এক মেয়েকে শিক্ষা দীক্ষায় বড় করে ডাক্তার কিংবা এডভোকেট করতে। কিন্তু সমস্ত স্বপ্নের জল ঢেলে দিয়েছে আর্থিক অনটন। বছর দশেক আগে বাবা অসুস্থ হওয়ার পর পা কেটে বাদ দিতে হয়েছে। তারপর থেকে দীর্ঘদিন কাজ হারা অবস্থায় বাড়িতে। সংসারের হাল ধরতে মা বাড়ির পরিচারিকার কাজ করেন। জানা গিয়েছে বাড়িতে চারজন সদস্য। খুব কষ্টের দিন কাটতো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ার ময়নাডাল এলাকার বাসিন্দা জয়শ্রী রানা। মাধ্যমিক দেওয়ার পর পুরো সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ছাত্রী জয়শ্রী। গ্রামে টিউশনি পরিয়ে মা, বাবা, ভাই কে দু’মুঠো অন্ন তুলে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তার পাশাপাশি ভাইয়ের পড়াশোনার খরচ বাবার ওষুধ সমস্ত দায়-দায়িত্ব ছিল জয়শ্রী উপর। কিন্তু নিজের পড়াশোনা বন্ধ রাখেনি জয়শ্রী। এই বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৩৬৫ প্রাপ্ত নম্বর পায়। এবার কলেজ জীবন শুরুর পালা। কিন্তু কলেজের পড়াশোনার খরচ বহন করার মতন পরিস্থিতি নেই জয়শ্রীর পরিবারের। এক প্রকার জয়শ্রী জীবন থেকে পড়াশুনোর ভাবনা মুছে গিয়ে ছিল ভেবে ছিল আর পড়াশোনাই এগোতে পারবে না, হবে না সেই আশা পূরণ, সেই মতন বাংলা অনার্স নিয়ে পড়তে চেয়েছিল জয়শ্রী। পাঁশকুড়া কলেজে ফরম ফিলাপ করে জয়শ্রী। এডমিশন হয়ে যায় জয়শ্রী কিন্তু অ্যাডমিশন ফি বা পড়াশোনার খরচ চালাবে কি করে। জয়শ্রী নিজেই গ্রাম পঞ্চায়েতের ও পাঁশকুড়া তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী অনামিকা ব্যানার্জি সাথে যোগাযোগ করেন। কিছুটা আশ্বস্ত পেয়ে ছিলেন জয়শ্রী। এরপর ঘাটালের সাংসদ দীপক(দেব) অধিকারী সংসদ প্রতিনিধিরা যোগাযোগ করেন। বিষয়টি জানতে পেরে সংসদ তথা অভিনেতা দীপক(দেব)অধিকারী নিজে জয়শ্রীর পাঁশকুড়া কলেজে অ্যাডমিশন ফ্রী নিজে দিয়ে ওই ছাত্রীকে ভর্তি করেন। এবং জয়শ্রীর পড়াশোনা কোন রকম অসুবিধা হলে সাংসদ নিজেই দেখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। জয়শ্রী মা উমা রানা এবং বাবা অম্বরনাথ রানা বলেল যে সাংসদ দীপক (দেব) অধিকারী দেবদূত হয়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা খুব উপকৃত হলাম। আমাদের খুব দুশ্চিন্তা ছিল হয়তো আমরা আর আমাদের মেয়েকে পড়াশোনা করাতে পারতাম না। আমাদের মেয়ের পড়াশোনার বন্ধ হতে বসেছিল কিন্তু সাংসদ সহযোগিতা করায় আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখছে জয়শ্রী। এক প্রকাশ সংসদের সহযোগিতায় নতুন করে স্বপ্ন দেখছে জয়শ্রী।