September 20, 2021

TV Bangla New Agency

Just another WordPress site

মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দেবস্মিতা মহাপাত্র

নিজস্ব সংবাদদাতা পূর্ব মেদিনীপুর:- মহামারী নোভেল করোনা ভাইরাস প্রকপের মাঝে বুধবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হয়েছে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর থেকে। যেখানে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দেবস্মিতা মহাপাত্র। জানা গেছে দেবস্মিতা ভবানীচক হাই স্কুলের ছাত্রী। মাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। গোটা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে দেবস্মিতা মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। ইতিমধ্যে দেবস্মিতার সাফল্যের খবর গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে ব্যাপক উৎসাহের চেহারা নিয়েছে স্থানীয় এলাকায়। গর্ভে মুখে হাসি ফুটেছে এলাকার মানুষের,আরো জানা যায় দেবস্মিতার মা স্বপ্না মহাপাত্র ও বাবা দেবাশীষ মহাপাত্র দুজনেই হাইস্কুলের ভূগোলের শিক্ষক। দেবস্মিতার দাদা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ইংলিশ অনার্স নিয়ে পড়ছে। আগামী দিনে লক্ষ্য রয়েছে দেবস্মিতার মনোবিদ হওয়ার। একাদশ শ্রেণীতে দেবস্মিতা বিজ্ঞান বিভাগে পড়তে চায় বলে জানিয়েছে সে। পরীক্ষা দিয়ে আসার পর বাবা-মাকে ফল ভালো হবে জানিয়েছিল দেবস্মিতা। কিন্তু একেবারে তৃতীয় স্থান অধিকার করবে বলে একেবারেই ভাবতে পারেনি দেবস্মিতা। সারাদিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা পড়াশোনা করতো দেবস্মিতা। সবথেকে বেশি আগ্রহ ছিল জীবন বিজ্ঞানের প্রতি। সাতটি বিষয়ের মধ্যে প্রত্যেকটিতে গৃহশিক্ষক থাকলেও ভূগোল পড়াতে নিজের বাবা-মা। নিজের এত বড় সাফল্যের পেছনে বাবা- মা- দাদা সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ও বিশাল বড় অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছে সে। দেবস্মিতা মায়ের স্কুল ভবানীচক হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করলেও আগামী দিনে নিজের সুবিধার জন্য অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবানীচক হাই স্কুলের ছাত্রীর এত বড় সাফল্যে এখন খুশি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। মাধ্যমিকে তৃতীয় স্থান অধিকারী দেবস্মিতা বলেন, “মাধ‍্যমিকে এত বড় সাফল্য পাবো আমি ভাবতেই পারিনি। আগামী দিনে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। আমার সাফল্যের পেছনে বাবা- মা- দাদা সহ সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিশাল বড় অবদান রয়েছে। অবসর সময়ে গল্পের বই পড়তে খুব ভালো লাগে”দেবস্মিতার মা স্কুলশিক্ষিকা স্বপ্না মহাপাত্র জানান, “মেয়ের এই সাফল্যে খুবই ভালো লাগছে। যেদিন যখন মনে হতো বই নিয়ে পড়তে বসতো দেবস্মিতা। পরিবারের তরফ থেকে জানা গেছে রাত্রি ১২ টার বেশি দেবস্মিতা পড়তো না দেবস্মিতা।